Hello,

Sign up to join our community!

Welcome Back,

Please sign in to your account!

Forgot Password,

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Ask A Question

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

প্রশ্ন করা অধিকার, উত্তর দেওয়া দায়িত্ব।

Ask A Question

QNA BD Latest Questions

Mithu Khan
Enlightened

উৎসব অনুষ্ঠানে রণ সংগীত কত লাইন বাজানো হয়?

উৎসব অনুষ্ঠানে রণ সংগীত কত লাইন বাজানো হয়?

1 Answer

  1. উত্তরঃ ২১ লাইন

    বাংলাদেশের রণ সংগীত নতুনের গান ।

     বাংলাদেশের যে কোনো সামরিক অনুষ্ঠানে এই গানটির ২১ লাইন যন্ত্রসঙ্গীতে বাজানো হয়।

    বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে রচিত এবং সুরারোপিত সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি গান। দাদরা তালের এই সঙ্গীতটি ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ-সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

    গানের কথাঃ

    নতুনের গান

    চল চল চল!
    ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
    নিম্নে উতলা ধরণি তল,
    অরুণ প্রাতের তরুণ দল
    চল রে চল রে চল
    চল চল চল।।

    ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত
    আমরা আনিব রাঙা প্রভাত,
    আমরা টুটাব তিমির রাত,
    বাধার বিন্ধ্যাচল।

    নব নবীনের গাহিয়া গান
    সজীব করিব মহাশ্মশান,
    আমরা দানিব নতুন প্রাণ
    বাহুতে নবীন বল!
    চল রে নও-জোয়ান,
    শোন রে পাতিয়া কান
    মৃত্যু-তরণ-দুয়ারে দুয়ারে
    জীবনের আহবান।
    ভাঙ রে ভাঙ আগল,
    চল রে চল রে চল
    চল চল চল।।

    কোরাসঃ
    ঊর্ধ্ব আদেশ হানিছে বাজ,
    শহীদী-ঈদের সেনারা সাজ,
    দিকে দিকে চলে কুচ-কাওয়াজ—
    খোল রে নিদ-মহল!

    কবে সে খেয়ালী বাদশাহী,
    সেই সে অতীতে আজো চাহি’
    যাস মুসাফির গান গাহি’
    ফেলিস অশ্রুজল।

    যাক রে তখত-তাউস
    জাগ রে জাগ বেহুঁশ।
    ডুবিল রে দেখ কত পারস্য
    কত রোম গ্রিক রুশ,
    জাগিল তা’রা সকল,
    জেগে ওঠ হীনবল!
    আমরা গড়িব নতুন করিয়া
    ধুলায় তাজমহল!
    চল্‌ চল্‌ চল্।।

    —— কাজী নজরুল ইসলাম

     

    প্রায় প্রতিটি দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর একটি রণসংগীত থাকে। এই সংগীত যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকদের মধ্যে দেশাত্মবোধ, উদ্দীপনা, আত্মোৎসর্গ করার প্রেরণা ইত্যাদি জাগিয়ে তোলে এবং তাদের জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করতে উৎসাহিত করে। এই সংগীত সৈনিকদের মধ্যেই শুধু নয়, দেশের আপামর জনগণের মধ্যেও দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলে।

    বিখ্যাত উর্দু কবি ইকবালের ‘সারা জাঁহাসে আচ্ছা, হিন্দুস্তাঁ হাঁমারা’ কবিতাটি ব্রিটিশ আমলে জাতিধর্ম-নির্বিশেষে ভারতবাসীকে স্বদেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা জোগাত। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর কবিতাটি ভারতের সম্মিলিত বাহিনীর রণসংগীতের মর্যাদা পায়।

    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলামের আগে রণসংগীতের ব্যবহার দেখা যায়না। এ বিষয়ে নজরুল-গবেষক বাঁধন সেনগুপ্ত বলেছেন—

    ‘বাংলায় যুদ্ধবিষয়ক কবিতা খুব কম। যে কটি কবিতা এ পর্যন্ত রচিত হয়েছে সমরসংগীত (March Song) তার মধ্যে সুর, বাণী ও ভাবের বিচারে প্রথম শ্রেণীর রচনা বলেই বিবেচিত। বাংলা কবিতায় একমাত্র এ ধরনের যুদ্ধবিষয়ক গানের প্রবর্তক হিসেবেই নজরুল অমর হয়ে থাকবেন। (নজরুল কাব্যগীতি: বৈচিত্র্য ও মূল্যায়ন, পৃষ্ঠা ৮৫)।’

    পল্টনে থাকা অবস্থাতেই নজরুল সামরিক জীবনের বিভিন্ন বিষয়কে কাব্যছন্দে রূপান্তরিত করতেন বলে সুবেদার মনবাহাদুর উল্লেখ করেছেন—

    ‘আমাদের সৈনিক কবি হাবিলদার কাজী নজরুল ইসলামকে দেখতাম—অবসর সময় সৈনিকজীবনের সকল রকম ছন্দকে তিনি কাব্যছন্দে রূপান্তরিত করছেন।’

    নতুনের গান বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে রচিত এবং সুরারোপিত হয়য়। এটি “সন্ধ্যা” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি গান। দাদরা তালে আরোপিতএই গানটি ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ-সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়। বাংলাদেশের যে কোনো সামরিক অনুষ্ঠানে এই গানটির ২১ লাইন যন্ত্রসঙ্গীতে বাজানো হয়।

    গানটি ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার সমীক্ষা অনুযায়ী সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কুড়িটি বাংলা গানের মধ্যে ১৮তম স্থান অধিকার করে।১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নজরুল মুসলিম সাহিত্য সমাজের ২য় বার্ষিকী সম্মেলনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় সৈয়দ আবুল হোসেনের বাসভবনে অবস্থানকালে তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি “নতুনের গান” শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় “শিখা” পত্রিকায়। পরে এটি সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।

Leave an answer

Leave an answer

Related Questions